![]() |
| আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬–২০২৯ অনুযায়ী বাংলাদেশে আমদানি-নিষিদ্ধ পণ্যের সম্পূর্ণ তালিকা, শর্ত ও সরকারি নির্দেশনা একসাথে জানুন। |
আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬–২০২৯ অনুযায়ী বাংলাদেশে আমদানি-নিষিদ্ধ পণ্যের সম্পূর্ণ তালিকা:
পরিশিষ্ট-১
‘খ’ অংশ
নিম্নবর্ণিত পণ্যসমূহ আমদানিযোগ্য হইবে না, যথা:—
(১) বাংলাদেশ সার্ভে ডিপার্টমেন্ট কর্তৃক প্রকাশিত মানচিত্র অনুযায়ী বাংলাদেশের সীমানারেখা দেখানো হয় নাই এইরূপ মানচিত্র, চার্ট ও টোপোগাফিক গ্লোব;
(২) হরর কমিকস (Horror comics), অশ্লীল ও নাশকতামূলক সাহিত্য ও অনুরূপ ধরনের পুস্তিকা, সংবাদপত্র, সাময়িকী, পোস্টার, ফটো, ফিল্ম, গ্রামোফোন রেকর্ড, অডিও ও ভিডিও ক্যাসেট, টেপ, ইত্যাদি;
(৩) এইরূপ বই, পুস্তিকা, সংবাদপত্র, সাময়িকী, দলিল দস্তাবেজ, কাগজপত্রাদি, পোস্টার, ফটো, ফিল্ম, গ্রামোফোন রেকর্ড, অডিও ও ভিডিও ক্যাসেট, টেপ ইত্যাদি যাহার বিষয়সমূহ বাংলাদেশে যে কোনো শ্রেণীর নাগরিকের ধর্মীয় বিশ্বাস অথবা অনুভূতিতে আঘাত হানিতে পারে;
(৪) এই আদেশে ভিন্নরূপ বিধান না থাকিলে, সেকেন্ডারি বা সাব-স্ট্যান্ডার্ড কমোডিটি বা নিম্নমানের পণ্য অথবা পুরাতন, ব্যবহৃত, পুনর্সংষ্কৃত (রিকন্ডিশন্ড) পণ্য অথবা কারখানার বাতিলকৃত বা জব লট ও স্টক লটের পণ্য;
(৫) রিকন্ডিশন্ড অফিস ইকুইপমেন্ট, ফটোকপিয়ার, টাইপরাইটার মেশিন, টেলেক্স, ফোন, ফ্যাক্স, পুরাতন কম্পিউটার, পুরাতন কম্পিউটার সামগ্রী, পুরাতন ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী;
(৬) এইরূপ পণ্যাদি ও উহার পেটিকা যাহাতে কোনো ধর্মীয় গূঢ়ার্থ সম্পর্কীয় এমন কোনো শব্দ বা উৎকীর্ণ লিপি আছে যাহার ব্যবহার বা বিবরণ বাংলাদেশে কোনো নাগরিকের ধর্মীয় বিশ্বাস বা অনুভূতিতে আঘাত হানিতে পারে;
(৭) এইরূপ পণ্যা সামগ্রী ও উহার পেটিকা যাহাতে অশ্লীল ছবি, লিখন বা উৎকীর্ণ লিপি অথবা এই জাতীয় দৃশ্যমান নিদর্শন বিদ্যমান আছে;
(৮) এই আদেশে ভিন্নরূপ বিধান না থাকিলে জীবিত শূকর এবং শূকরজাত সকল ধরনের পণ্য;
(৯) সকল প্রকার শিল্প স্লাজ (Industrial Sludge) ও স্লাজ দ্বারা প্রস্তুতকৃত সার এবং যে কোনো সামগ্রী;
(১০) এই আদেশে ভিন্নরূপ বিধান না থাকিলে, সকল প্রকার বর্জ্য পদার্থ;
(১১) শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২025 অনুযায়ী নির্ধারিত মাত্রার অধিক মাত্রার হর্ন;
(১২) Stockholm Convention on Persistent Organic Pollutants (POPs) এর আওতায় নিম্নবর্ণিত রাসায়নিক কীটনাশক এবং শিল্পজাত রাসায়নিক পণ্য—
Aldrin, Endrin, Chlordane, DDT, Dieldrin, Heptachlor, Mirex, Toxaphene, Hexachlorobenzene (HCB), Polychlorinated Biphenyls (PCBs), Alpha Hexachlorocyclohexane, Beta Hexachlorocyclohexane, Chlordecone, Dicofol, Hexachlorobutadiene, Lindane, Pentachlorophenol (PCP) and Its Salts and Esters, Technical Endosulfan and Its Related Isomers, Hexabromocyclododecane (HBCD), Tetrabromodiphenyl Ether and Pentabromodiphenyl Ether (Commercial Pentabromodiphenyl Ether C-PentaBDE), Polychlorinated Naphthalenes, Hexabromobiphenyl
Frequently Asked Questions(FAQs)
FAQ 1: আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬–২০২৯ কী?
উত্তর: আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬–২০২৯ হলো বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারি করা নীতিমালা, যা দেশে কোন পণ্য অবাধে, শর্তসাপেক্ষে অথবা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধভাবে আমদানি করা যাবে তা নির্ধারণ করে।
FAQ 2: আমদানি-নিষিদ্ধ পণ্য বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: আমদানি-নিষিদ্ধ পণ্য হলো এমন সব পণ্য, যেগুলো বাংলাদেশে আইনগতভাবে আমদানি করা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। জনস্বাস্থ্য, জাতীয় নিরাপত্তা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং ধর্মীয় ও সামাজিক স্বার্থে এসব নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
FAQ 3: কোন কোন পণ্য আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬–২০২৯ অনুযায়ী নিষিদ্ধ?
উত্তর: এই তালিকায় আফিম, নির্দিষ্ট মাদকজাতীয় দ্রব্য, অশ্লীল বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারী সামগ্রী, ইসরায়েলি পতাকাবাহী জাহাজে পরিবাহিত পণ্যসহ সরকার নির্ধারিত অন্যান্য নিষিদ্ধ পণ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সম্পূর্ণ তালিকা সংশ্লিষ্ট গেজেটের পরিশিষ্ট-১-এ উল্লেখ করা হয়েছে।
FAQ 4: নিষিদ্ধ ও শর্তসাপেক্ষ আমদানি পণ্যের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: নিষিদ্ধ পণ্য কোনো অবস্থাতেই আমদানি করা যায় না। অন্যদিকে শর্তসাপেক্ষ পণ্য নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয়, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বা লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন সাপেক্ষে আমদানি করা যায়।
