![]() |
| আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬–২০২৯ অনুযায়ী নিষিদ্ধ, নিয়ন্ত্রিত ও শর্তসাপেক্ষ পণ্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা। |
আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬–২০২৯-এর নিষিদ্ধ / নিয়ন্ত্রিত / শর্তসাপেক্ষ পণ্য
পরিশিষ্ট-১
নিয়ন্ত্রিত পণ্যের তালিকা
[অনুচ্ছেদ ৩ দ্রষ্টব্য]
'ক' অংশ
১ | (ক) আফিম আমদানি নিষিদ্ধ: তবে শর্ত থাকে যে, আফিম ব্যতীত সংশ্লিষ্ট এইচএস কোডভুক্ত ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত পণ্য ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর এবং ওষুধ শিল্প ব্যতীত অন্যান্য শিল্পের জন্য কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পোষক বা মন্ত্রণালয় বা সংস্থা এর পূর্বানুমতি গ্রহণ করিতে হইবে;
(খ) বাণিজ্যিকভাবে ক্যারাজেনান পাউডার এবং কনজ্যাক গাম বা পাউডার আমদানির ক্ষেত্রে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি গ্রহণ করিতে হইবে;
(গ) আগর-আগর এবং পেকটিন আমদানির ক্ষেত্রে এই পূর্বানুমতি গ্রহণ করিতে হইবে না। |
২ | (ক) নিজস্ব শিল্প কারখানা বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ব্যবহারের জন্য ফার্নেস অয়েল আমদানির ক্ষেত্রে— (১) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম আইন, ১৯৭৪ (১৯৭৪ সালের এলএক্সআইএক্স আইন) এবং সময় সময়, সরকার কর্তৃক জারীকৃত এতৎসম্পর্কিত বিধিবিধান আমদানিকারকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে;
(২) আমদানিকারককে প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিস্ফোরক এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় লাইসেন্স গ্রহণ করিতে হইবে।
(খ) অন্যান্য ব্যবহারকারীদের নিকট বিক্রয় বা বিপণনের জন্য আমদানির ক্ষেত্রে—
(১) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম আইন, ১৯৭৪ (১৯৭৪ সালের এলএক্সআইএক্স আইন) এর বিধান অনুসারে এতদ্বিষয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের সহিত চুক্তি স্বাক্ষর করিতে হইবে এবং সময় সময়, সরকার কর্তৃক জারীকৃত এতৎসম্পর্কিত বিধিবিধান প্রযোজ্য হইবে;
(২) বিক্রয়ের জন্য পেট্রোলিয়াম পণ্যের গুণগতমান বিএসটিআই-এর স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী হইতে হইবে;
(৩) আমদানিকারককে প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিস্ফোরক এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় লাইসেন্স গ্রহণ করিতে হইবে;
(৪) ফার্নেস অয়েল ব্যবহারকারী শিল্প কারখানার নিকট সরাসরি ফার্নেস অয়েল বিক্রয় করিতে হইবে; এবং
(৫) মাসিক আমদানিকৃত এবং বিপণনকৃত ফার্নেস অয়েলের পরিমাণ ও গুণগতমান উল্লেখপূর্বক প্রতি মাসের ৫ (পাঁচ) তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের নিকট প্রতিবেদন প্রেরণ করিতে হইবে।
৩ | এইচএস কোড ২৭১৩.২০ এর অধীনে পেট্রোলিয়াম বিটুমেন আমদানির ক্ষেত্রে, পণ্য খালাসের পূর্বে ইহার গুণগতমান বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট (বিএসটিআই) বা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) বা ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড কর্তৃক পরীক্ষা করাইতে হইবে। |
৪ | হেপ্টাক্লোর-৪০ ডব্লিউপি, ডিডিটি, ডিলড্রিন, জিনোমিক নামের বাইড্রিন ড্রাফ্ট, মিথাইল ব্রোমাইড, ডায়াজিনন-৪০ ডব্লিউপি এবং ডাইমেক্রন নামক কীটনাশক আমদানি নিষিদ্ধ; তবে, এই এইচএস হেডিংয়ের অধীনে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য অন্যান্য পণ্য নিম্নলিখিত শর্ত সাপেক্ষে আমদানিযোগ্য:
(ক) এই আদেশের ২৫ অনুচ্ছেদের উপ-অনুচ্ছেদ (৭)-এ বর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে আমদানিযোগ্য;
(খ) সিন্থেটিক পাইরেথ্রয়েড গ্রুপের ডেল্টামেথ্রিন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সার্টিফিকেট ও নিশ্চয়তা প্রদানের ভিত্তিতে কেবল জনস্বাস্থ্যের জন্য ব্যবহারের উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আমদানি করা যাইবে;
(গ) নীচে উল্লিখিত সিন্থেটিক পাইরেথ্রয়েড গ্রুপের কীটনাশক নির্ধারিত শর্তে আমদানি করা যাইবে—
(১) সাইহ্যালোথ্রিন,
(২) সাইপারমেথ্রিন,
(৩) সাইফ্লুথ্রিন,
(৪) ফেনভ্যালারেট,
(৫) আলফা সাইপারমেথ্রিন,
(৬) এস-ফেনভ্যালারেট,
(৭) ডেল্টামেথ্রিন,
(৮) ড্যানিটল ১ ইসি (ফেনপ্রোপ্যাথ্রিন),
(৯) মিথাইল ব্রোমাইড তবে শর্ত থাকে যে,
(i) আমদানিকৃত কীটনাশকের বিবরণ অবশ্যই কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকে প্রদান করিতে হইবে এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উহাদের ব্যবহার মনিটর করিবে;
(ii) বালাইনাশক বিধিমালা, ১৯৮৫ অনুযায়ী অনুমোদিত মাত্রা অনুযায়ী উহা ব্যবহার করিতে হইবে। |
৫ | সামুদ্রিক মৎস্য আইন, ২০২০, ইহার অধীনে প্রণীত সামুদ্রিক মৎস্য বিধিমালা, ২০২৩ এবং সামুদ্রিক মৎস্য ব্যবস্থাপনা ও আহরণ সংক্রান্ত কারিগরি নির্দেশিকা, ২০২৩ অনুযায়ী মৎস্য অধিদপ্তরের পূর্বানুমোদনক্রমে সামুদ্রিক মৎস্য ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য জাল আমদানিযোগ্য হইবে; |
৬ | (১) যে কোনো সিসির মোটর কার, মাইক্রোবাস, মিনিবাস, জিপসহ অন্যান্য পুরাতন যানবাহন এবং ট্রাক্টর নিম্নলিখিত শর্ত সাপেক্ষে আমদানিযোগ্য হইবে, যথা:—
(ক) কোনো যানবাহনের উৎপাদনের তারিখ হইতে ৫ (পাঁচ) বছরের অধিক পুরাতন গাড়ি জাহাজীকরণ করা যাইবে না;
(খ) যে দেশে গাড়ি উৎপাদন হইয়াছে কেবল সে দেশ (কান্ট্রি অব অরিজিন) হইতেই উক্তরূপ পুরাতন গাড়ি আমদানি করা যাইবে এবং তৃতীয় কোনো দেশের মাধ্যমে পুরাতন গাড়ি আমদানি করা যাইবে না;
তবে শর্ত থাকে যে, তৃতীয় কোনো দেশে ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহৃত অন্য কোনো দেশে উৎপাদিত পুরাতন বা রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানির ক্ষেত্রে, যে দেশে গাড়িটি ব্যবহার করা হইয়াছে (কান্ট্রি অব ইউস) সে দেশের গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সনদ এবং রেজিস্ট্রেশন বাতিলের সনদ কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিতে হইবে;
(গ) জাপান হইতে পুরাতন গাড়ি আমদানির ক্ষেত্রে জাপান অটো এপ্রাইজাল ইনস্টিটিউট (জেএএআই) এবং অন্যান্য দেশে প্রস্তুতকৃত পুরাতন গাড়ি আমদানির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের স্বীকৃত অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক গাড়ির বয়স, মডেল নম্বর এবং চেসিস নম্বর সংবলিত প্রত্যয়নপত্র কাস্টমস মূল্যায়ন পর্যায়ে দাখিল করিতে হইবে;
(ঘ) আমদানিকৃত পুরাতন গাড়ির প্রস্তুতের তারিখ বা বয়স নির্ধারণের ক্ষেত্রে গাড়ির চেসিস প্রস্তুতের তারিখের পরবর্তী বছরের প্রথম দিন হইতে গাড়ির প্রস্তুতের তারিখ বা বয়স গণনা শুরু করিতে হইবে;
(ঙ) জাপান হইতে গাড়ি আমদানির ক্ষেত্রে জাপান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক প্রকাশিত চেসিস বুক এবং অন্যান্য দেশ হইতে আমদানির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের সরকার কর্তৃক স্বীকৃত অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক প্রকাশিত চেসিস বুক পরীক্ষা করিয়া গাড়ির তৈরির তারিখ নির্ধারিত হইবে। যে সকল দেশ হইতে চেসিস বুক প্রকাশিত হয় না সে সকল দেশ হইতে পুরাতন গাড়ি বা যানবাহন আমদানি করা যাইবে না;
(চ) পেট্রোল চালিত গাড়ির ক্ষেত্রে ক্যাটালাইটিক কনভার্টার এবং ডিজেল চালিত গাড়ির ক্ষেত্রে ডিজেল পার্টিকুলেট ফিল্টার সংযোগ সম্পর্কে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারীকৃত এস.আর.ও. নং-২৯-আইন বা ২০০২, তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০২ মোতাবেক কার্যক্রম গ্রহণ করিতে হইবে;
(ছ) সিটবেল্ট ব্যতীত কোনো প্রকার মটরগাড়ি আমদানি করা যাইবে না;
(জ) উইন্ডশিল্ড গ্লাস এবং ড্রাইভিং সিটের উভয় পাশের জানালার গ্লাস স্বচ্ছ হইতে হইবে যাহাতে গাড়ির অভ্যন্তর দৃশ্যমান হয়;
(ঝ) বিদেশে বাংলাদেশ মিশনে কর্মরত কর্মচারিগণ ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহৃত অনধিক একটি গাড়ি ৫(পাঁচ) বছরের পুরাতন হইলেও মিশনের কর্মকাল শেষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি সাপেক্ষে দেশে আনয়ন করিতে পারিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, এইরূপ গাড়ি আমদানির ক্ষেত্রে গাড়ির বয়সসীমা ৮(আট) বছরের অধিক হইবে না।
(২) ১৫০০ সিসির ঊর্ধ্বে যে কোনো সিসির পুরাতন ট্যাক্সিক্যাব অনুচ্ছেদ (১) এর শর্ত (খ) হইতে (ঙ)-এ বর্ণিত শর্তাবলি পালন সাপেক্ষে সর্বনিম্ন ১৫০০ সিসি (১ শতাংশ কম হইলেও উহা ১৫০০ সিসি হিসেবে গণ্য হইবে) ইঞ্জিন ক্যাপাসিটির অনধিক ৩ (তিন) বছরের পুরাতন ট্যাক্সিক্যাব আমদানি করা যাইবে। |
৭ | মোটর যানের নিম্নে উল্লিখিত পুরাতন যন্ত্রাংশ রিপেয়ারিং ও সার্ভিসিং প্রতিষ্ঠান এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আমদানিযোগ্য হইবে, যথা:—
(ক) বডি যন্ত্রাংশ— (১) বাম্পার; (২) ফ্রন্ট গ্রিল;(৩) ডোর অ্যাসেম্বলি; (৪) উইন্ডশিল্ড বা উইন্ডশিল্ড গ্লাস; (৫) আয়না; (৬) রেডিয়েটর অ্যাসেম্বলি; (৭) লাইট বা ল্যাম্প; (৮) ড্যাশবোর্ড অ্যাসেম্বলি; (৯) বনেটে অ্যাসেম্বলি; (১০) ফেন্ডার অ্যাসেম্বলি; (১১) ডোর মিরর অ্যাসেম্বলি; (১২) সিট; (13) রিয়ার মাডগার্ড অ্যাসেম্বলি; (14) কেবিন অ্যাসেম্বলি বা বডি; (15) হেড লাইট (বাল্ব ব্যতীত); (16) টেল ল্যাম্প (বাল্ব ব্যতীত); (17) সাইড লাইট অ্যাসেম্বলি; (18) ওয়্যারিং সেট; (19) ইএফআই কন্ট্রোল ইউনিট; (20) স্টার্টার; (21) অল্টারনেটর; (22) এসি কম্প্রেসর বা কনডেন্সার বা কুলিং চেম্বার অ্যাসেম্বলি; (23) অন্যান্য রাবার চ্যানেলস এন্ড রাবার মোডিংস; (24) ফিউজ বক্স; (25) ডিস্ট্রিবিউটর; (26) ড্যাম্পার; (27) নোজ কাট।
(খ) আন্ডার ট্রেন যন্ত্রাংশ— (১) পাওয়ার স্টিয়ারিং অ্যাসেম্বলি;
(২) সাসপেনশন শক অ্যাবজর্বার; (৩) স্টিয়ারিং হুইলস অ্যাসেম্বলি; (৪) স্টিয়ারিং কলাম এন্ড স্টিয়ারিং বক্সেস; (৫) ডিফারেন্সিয়াল অ্যাসেম্বলি; (৬) প্রোপেলার শ্যাফ্ট অ্যাসেম্বলি; (৭) এক্সেলস অ্যাসেম্বলি; (৮) ব্রেক ড্রাম এন্ড হাবস অ্যাসেম্বলি; (৯) ভ্যাকুয়াম বুস্টার উইথ ব্রেক মাস্টার পাম্প অ্যাসেম্বলি; (১০) ব্রেক ড্রামস অ্যাসেম্বলি; (১১) হুইল সিলিন্ডার অ্যাসেম্বলি; (১২) সাইলেন্সর এন্ড এক্সজস্ট পাইপস; (১৩) মাউন্টিং; (১৪) ফুয়েল পাম্প; (১৫)
এয়ার ক্লিনার বক্স। (i) বর্ণিত যন্ত্রাংশসমূহ আমদানির ক্ষেত্রে গুণগতমান সম্পর্কে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সার্ভেয়ার প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রি-শিপমেন্ট ইনস্পেকশন সনদপত্র দাখিল করিতে হইবে;
(ii) বিক্রিত অথবা সংযোজিত যন্ত্রাংশের জন্য বিক্রেতা অথবা সংযোজনকারীকে কমপক্ষে ২ (দুই) বছরের লিখিত গ্যারান্টি প্রদান করিতে হইবে; (iii) রিপেয়ারিং ও সার্ভিসিং প্রতিষ্ঠানকে অটোমোবাইল এন্ড রিপেয়ারিং সংশ্লিষ্ট অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হইতে হইবে; | ৮৭.০৮ | সংশ্লিষ্ট এইচএস কোড
৮ | ১৬৫ (একশত পঁয়ষট্টি) সিসির ঊর্ধ্বে সকল প্রকার মোটর সাইকেল আমদানি নিষিদ্ধ; তবে, পুলিশ বিভাগের ক্ষেত্রে ১৬৫ (একশত পঁয়ষট্টি) সিসির ঊর্ধ্বসীমার এই বিধান প্রযোজ্য হইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, মোটর সাইকেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিবন্ধিত শিল্প প্রতিষ্ঠান ৫০০ (পাঁচশত) সিসি পর্যন্ত মোটর সাইকেল উৎপাদনে ব্যবহৃত যন্ত্র বা যন্ত্রাংশ আমদানি করিতে পারিবে। |
৯ | রিভলভার, পিস্তল এবং সংশ্লিষ্ট এ্যামুনিশন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতিক্রমে আগ্নেয়াস্ত্রের অনুমোদিত ডিলার কর্তৃক আমদানিযোগ্য হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বেসরকারি খাতের জন্য নির্ধারিত সংখ্যা বা ব্যক্তি বিশেষ কর্তৃক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তি বা সুপারিশের ভিত্তিতে ১ (এক) টি এনপিবি রিভলভার বা পিস্তলসহ ৫০ রাউন্ড গুলি এবং .২২ বোর রাইফেল বা ১২ বোর শটগান বা বন্দুকসহ ১০০ রাউন্ড গুলি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি সাপেক্ষে আমদানি করা যাইবে। |
১০ | এয়ারগান, এয়ার রাইফেল বা এয়ার পিস্তল ও এয়ারগান এ্যামুনিশন আমদানি করা যাইবে না: তবে শর্ত থাকে যে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতিক্রমে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) বা ক্রীড়া ও শুটিং ক্লাবে ব্যবহারের জন্য এয়ারগান, এয়ার রাইফেল বা এয়ার পিস্তল ও প্রযোজ্য এ্যামুনিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতিক্রমে আমদানি করা যাইবে:
তবে আরও শর্ত থাকে যে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতিক্রমে নিষিদ্ধ বোর ব্যতীত অন্যান্য আগ্নেয়াস্ত্র অনুমোদিত ডিলার কর্তৃক আমদানি এবং বেসরকারি খাতের জন্য টিসিবি বা নির্ধারিত সংখ্যা বা ব্যক্তি বিশেষ কর্তৃক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তি বা সুপারিশের ভিত্তিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতিক্রমে আমদানি করা যাইবে। |
১১ | বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতি ব্যতিরেকে বাণিজ্যিকভাবে লেড ক্রোমেট আমদানি করা যাইবে না। |
১২ | মৎস্য অধিদপ্তরের সুপারিশক্রমে চিংড়ি এবং চিংড়ি পোনা বা রেনু আমদানি করা যাইবে। | ০
১৩ | ড্রোন নিবন্ধন ও উড্ডয়ন নীতিমালা, ২০২০ অনুযায়ী ড্রোন বা ড্রোনের যন্ত্রাংশ আমদানি করা যাইবে।
১৪ | শুধুমাত্র মূল্য সংযোজন কর নিবন্ধিত সিগারেট এবং বিড়ি উৎপাদনকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নিম্নলিখিত পণ্যসমূহ আমদানি করা যাইবে:
(ক) সিগারেট পেপার বিবরণএইচএস কোডসিগারেট পেপার, বুকলেট বা টিউব আকারে৪৮১৩.১০.০০সিগারেট পেপার, ৫ সেমি এর অধিক নহে এমন প্রস্থের রোল আকারে৪৮১৩.২০.০০অন্যান্য সিগারেট পেপার৪৮১৩.৯০.০০
(খ) আর্টিফিশিয়াল ফিলামেন্ট টাউ
বিবরণ এইচএস কোড
আর্টিফিশিয়াল ফিলামেন্ট টাউ অব সেলুলোজ এসিটেট৫৫০২.১০.০0
Frequently Asked Question(FAQs)
FAQ 1: আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬–২০২৯ কী?
উত্তর: আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬–২০২৯ হলো বাংলাদেশে পণ্য আমদানির জন্য প্রযোজ্য সরকারি নীতিমালা, যেখানে আমদানি পদ্ধতি, নিষিদ্ধ ও নিয়ন্ত্রিত পণ্য এবং বিভিন্ন শর্ত ও অনুমোদনের বিধান নির্ধারণ করা হয়েছে।
FAQ 2: নিষিদ্ধ (Prohibited) পণ্য কী?
উত্তর: নিষিদ্ধ পণ্য হলো এমন পণ্য, যেগুলোর আমদানি বাংলাদেশে প্রযোজ্য আইন ও আমদানি নীতির অধীনে অনুমোদিত নয়। এসব পণ্য সাধারণ আমদানি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশে আনা যায় না।
FAQ 3: নিয়ন্ত্রিত বা Restricted পণ্য কী?
উত্তর: নিয়ন্ত্রিত বা Restricted পণ্য হলো এমন পণ্য, যেগুলো আমদানি করতে নির্দিষ্ট শর্ত, লাইসেন্স, অনুমোদন বা সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র প্রয়োজন হতে পারে।
FAQ 4: শর্তসাপেক্ষ (Conditional) পণ্য কীভাবে আমদানি করা যায়?
উত্তর: শর্তসাপেক্ষ পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে Import Policy Order 2026–2029-এ নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হয়। পণ্যের ধরন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন, সার্টিফিকেট বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথি লাগতে পারে।
